বিষয়বস্তুতে চলুন

ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাফি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম থেকে পুনর্নির্দেশিত)
ইলেকটরোকার্ডিয়গ্রাফি
চিত্র দেখাচ্ছে একটি রোগীর ১০ ইলেকটরোডেস সংযুক্তের জন্য প্রয়োজনীয় একটি ১২-লিড ইকেজি।
আইসিডি-৯-সিএম৮৯.৫২
মেশডি০০৪৫৬২
একজন ২৬ বছর বয়সী পুরুষের ১২-লিড ইকেজি

ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাফি বা ইসিজি (ইংরেজি: Electrocardiography) হলো একটি হৃৎপিণ্ডের রোগ শনাক্তকরণ পদ্ধতি যাতে মানব দেহের হৃৎপিণ্ডের কার্যকলাপ কার্ডিওগ্রাফের সাহায্যে ইলেক্ট্রনিক উপায়ে নিরূপণ ও ধারণ করা হয়। কার্ডিওগ্রাফ মানব দেহের উপরিতলের বৈদ্যুতিক বিভব পরিমাপ করে এবং কিছু সময়ের জন্য হৃৎপিণ্ডের পেশীসমূহের কার্যকলাপ সংশ্লিষ্ট বৈদ্যুতিক প্রবাহের একটি ধারাবাহিক রেকর্ড ধারণ করে। স্বাভাবিক হৃৎপিন্ডের সঙ্গে পরীক্ষাধীন হৃৎপিণ্ডের প্রাপ্ত রেকর্ড তুলনা করে কোন অস্বাভাবিকতা থাকলে তা নিরূপণ করা হয়। এই রেকর্ড একটি গ্রাফ আকারে পাওয়া যায়।[][]

জার্মান এলেকতরোকার্দিওগ্রাম থেকে ইকেজি বা ইসিজি নাম আসে।

ব্যুৎপত্তি

[সম্পাদনা]

শব্দটি গ্রীক ইলেক্ট্রো থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ বৈদ্যুতিক ক্রিয়াকলাপ সম্পর্কিত; কর্ডিয়া , যার অর্থ হৃদয়; এবং গ্রাফ , যার অর্থ "লিখতে"।

মূলনীতি

[সম্পাদনা]
একটি ইসিজি লেখচিত্র

ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাফি থেকে প্রাপ্ত লেখচিত্রকে ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম বলা হয়। একটা সাধারণ এবং সুস্থ ইসিজি লেখচিত্রে তিনটি অংশ থাকে:

  • পি তরঙ্গ (P wave): অলিন্দের সংকোচনকে বোঝায়
  • কিআরএস যৌগিক তরঙ্গ (QRS Complex): নিলয়ের সংকোচনকে বোঝায়
  • টি তরঙ্গ (T wave): নিলয়ের প্রসারণকে বোঝায়

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. অভিধান
  2. "www.umm.edu"। ১ জানুয়ারি ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ জানুয়ারি ২০১২

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]