ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা
| भारतीय अन्तरिक्ष अनुसन्धान सङ्गठन ভারতীয় অন্তরিক্ষ অনুসন্ধান সঙ্গঠন | |
ইসরোর লোগো | |
বেঙ্গালুরুতে ইসরোর সদর দপ্তর | |
| সংস্থার সংক্ষিপ্ত বিবরণ | |
|---|---|
| গঠিত | ১৫ আগস্ট ১৯৬৯ |
| পূর্ববর্তী সংস্থা |
|
| প্রকার | সরকারি মহাকাশ সংস্থা |
| অধিক্ষেত্র | অন্তরীক্ষ বিভাগ |
| সদর দপ্তর | বেঙ্গালুরু, কর্ণাটক ১৩°২′৭″ উত্তর ৭৭°৩৪′১৬″ পূর্ব / ১৩.০৩৫২৮° উত্তর ৭৭.৫৭১১১° পূর্ব |
| দলপতি | ভি নারায়ণন |
| প্রাথমিক মহাকাশ বন্দরs | |
| মালিক | ভারত সরকার |
| কর্মচারী | ১৯,২৪৭ (১ মার্চ ২০২২ তারিখের হিসাবে)[১] |
| বার্ষিক বাজেট | |
| ওয়েবসাইট | isro.gov.in |
ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ইসরো; হিন্দি: भारतीय अन्तरिक्ष अनुसन्धान सङ्गठन, इसरो, ইংরেজি: Indian Space Research Organisation, ISRO) ভারতের রাষ্ট্রীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা, যার কার্যালয় বেঙ্গালুরু শহরের অবস্থিত। এটি মহাকাশ বিভাগের (ডস) অধীনে কাজ করে, যা সরাসরি ভারতের প্রধানমন্ত্রী দ্বারা তত্ত্বাবধান করা হয়, অন্যদিকে ইসরোর চেয়ারম্যান ডস-এর নির্বাহী হিসাবে কাজ করেন। ইসরো হল স্থান ভিত্তিক প্রয়োগ, মহাকাশ অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তির উন্নয়ন সম্পর্কিত কাজ সম্পাদনকারী ভারতের প্রাথমিক সংস্থা।[৩] এটি সম্পূর্ণ উৎক্ষেপণে সক্ষম, ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিন মোতায়েন, বহির্মুখী অভিযানের উৎক্ষেপণ ও কৃত্রিম উপগ্রহের বড় বহর পরিচালনাকারী বিশ্বের ছয়টি সরকারি মহাকাশ সংস্থার মধ্যে একটি হিসাবে পরিগণিত হয়।[৪][৫][ক]
মহাকাশ গবেষণার প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করে বিজ্ঞানী বিক্রম সারাভাইয়ের অনুরোধে ১৯৬২ সালে জওহরলাল নেহেরু পরমাণু শক্তি বিভাগের (ডিএই) অধীনে ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কমিটি ফর স্পেস রিসার্চ (ইনকোসপার) প্রতিষ্ঠা করেন। ডিএই-এর মধ্যে ইনকোসপার বিকশিত হয়ে ১৯৬৯ সালে ইসরো হয়ে ওঠে।[৬] ভারত সরকার ১৯৭২ সালে একটি মহাকাশ কমিশন ও মহাকাশ বিভাগ (ডস) গঠন করে এবং ইসরোকে ডস-এর অধীনস্থ করা হয়। ইসরোর প্রতিষ্ঠা ভারতে মহাকাশ গবেষণা কার্যক্রমকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ প্রদান করে।[৭][৮] এটি তখন থেকেই জ্যোতির্বিজ্ঞান ও মহাকাশ প্রযুক্তির ক্ষেত্রের অন্যান্য ভারতীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিচালনাকারী ডস দ্বারা পরিচালিত হয়।[৯]
ইসরো ভারতের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ আর্যভট্ট তৈরি করে, যা সোভিয়েত ইউনিয়নের দ্বারা ১৯৭৫ সালের ১৯ই এপ্রিল উৎক্ষেপণ করা হয়।[১০] ইসরো ১৯৮০ সালে তার নিজস্ব এসএলভি-৩ রকেটের দ্বারা আরএস-১ কৃত্রিম উপগ্রহকে উৎক্ষেপণ করে, যা ভারতকে কক্ষীয় উৎক্ষেপণে সক্ষম ষষ্ঠ রাষ্ট্রে পরিণত করে। এসএলভি-৩ রকেটের পরে এএসএলভি রকেট নির্মাণ করা হয়, যা পরবর্তীতে বহু মাঝারি-ভার উত্তোলনে সক্ষম উৎক্ষেপণ যান, রকেট ইঞ্জিন, কৃত্রিম উপগ্রহ ব্যবস্থা ও নেটওয়ার্ক উন্নয়নে সংস্থাকে সক্ষম করে, ফলে সংস্থাটি শত শত দেশী-বিদেশী কৃত্রিম উপগ্রহ ও মহাকাশ অনুসন্ধানের জন্য বিভিন্ন গভীর মহাকাশ অভিযান চালাতে সক্ষম হয়।
ইসরো পৃথিবীর প্রথম মহাকাশ সংস্থা হিসাবে চাঁদে জল অস্তিত্ব খুঁজে পায়[১১] এবং প্রথম প্রচেষ্টায় মঙ্গলের কক্ষপথে একটি কৃত্রিম উপগ্রহ স্থাপন করে। এটি বিশ্বের বৃহত্তম রিমোট-সেন্সিং কৃত্রিম উপগ্রহের নক্ষত্রপুঞ্জ এবং গগন ও নাবিক নামে দুটি কৃত্রিম উপগ্রহভিত্তিক দিকনির্ণয় ব্যবস্থা পরিচালনা করে। নিকট ভবিষ্যতের লক্ষ্যসমূহের মধ্যে রয়েছে কৃত্রিম উপগ্রহের বহর সম্প্রসারণ, চাঁদে রোভার অবতরণ, মানুষকে মহাকাশে পাঠানো, একটি আধা-ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিনের উন্নয়ন, চাঁদ, মঙ্গল, শুক্র ও সূর্যে আরো মানববিহীন অভিযান প্রেরণ এবং সৌরজগতের বাইরে মহাজাগতিক ঘটনা ও বাইরের স্থান পর্যবেক্ষণের জন্য কক্ষপথে আরও বেশি মহাকাশ দূরবীন স্থাপন।
ইসরোর কর্মসূচিসমূহ ভারতের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, টেলিমেডিসিন ও নেভিগেশন এবং পুনর্নির্মাণ অভিযান সহ বিভিন্ন দিক থেকে বেসামরিক ও সামরিক উভয় ক্ষেত্রেই সহায়তা করে। ইসরোর স্পিন অফ প্রযুক্তিসমূহ ভারতের প্রকৌশল ও চিকিৎসা শিল্পের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভাবন প্রতিষ্ঠা করেছে।
ইতিহাস
[সম্পাদনা]গঠনমূলক বছর
[সম্পাদনা]ভারতে আধুনিক মহাকাশ গবেষণা সংক্রান্ত তথ্য ১৯২০-এর দশকে পাওয়া যায়, যখন বিজ্ঞানী শিশির কুমার মিত্র কলকাতায় স্থলভিত্তিক রেডিও পদ্ধতি প্রয়োগ করে আয়নমণ্ডলের ধ্বনির দিকে পরিচালিত করে একের পর এক পরীক্ষা পরিচালনা করেন।[১২] পরবর্তীতে মেঘনাদ সাহা ও সি.ভি. রমন সহ অন্যান্য ভারতীয় বিজ্ঞানীরা মহাকাশ বিজ্ঞানে প্রযোজ্য বৈজ্ঞানিক নীতিতে অবদান রাখেন।[১২] যাইহোক, এটি ১৯৪৫ সালের পরে সময়, যে সময়ে ভারতে সমন্বিত মহাকাশ গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ উন্নতি পরিলক্ষিত হয়।[১২] ভারতে সংগঠিত মহাকাশ গবেষণায় আহমেদাবাদের ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরির প্রতিষ্ঠাতা বিক্রম সারাভাই এবং ১৯৪৫ সালে টাটা ইনস্টিটিউট অব ফান্ডামেন্টাল রিসার্চের প্রতিষ্ঠাতা হোমি ভাবা নেতৃত্ব প্রদান করেন।[১২] মহাকাশ বিজ্ঞানের প্রাথমিক পরীক্ষায় মহাজাগতিক বিকিরণ অধ্যয়ন, উচ্চ উচ্চতা ও বায়ুবাহিত পরীক্ষা, পৃথিবীর অন্যতম গভীর খনি কোলারের খনিতে গভীর ভূগর্ভস্থ পরীক্ষা এবং উচ্চ বায়ুমণ্ডলের অধ্যয়ন অন্তর্ভুক্ত ছিল।[১৩] গবেষণা গবেষণাগার, বিশ্ববিদ্যালয় ও স্বাধীন স্থানে গবেষণা করা হয়েছিল।[১৩][১৪]
পারমাণবিক শক্তি বিভাগ ১৯৫০ সালে প্রতিষ্ঠিত করা হয় এবং সংস্থার সচিব হিসাবে হোমি জাহাঙ্গীর ভাভাকে নিযুক্ত করা হয়।[১৪] বিভাগটি সারা ভারত জুড়ে মহাকাশ গবেষণার জন্য অর্থ প্রদান করে।[১৫] এই সময়ের মধ্যে, আবহাওয়া ও পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের উপর পরীক্ষা চলতে থাকে, এটি এমন একটি বিষয়, যা কোলাবাতে ১৮২৩ সালে মানমন্দির প্রতিষ্ঠার পর থেকে ভারতে অধ্যয়ন করা হয়েছিল। উত্তরপ্রদেশ রাজ্যে ১৯৫৪ সালে হিমালয়ের পাদদেশে মানমন্দির প্রতিষ্ঠিত হয়।[১৪] রংপুর অবজারভেটরি ১৯৫৭ সালে হায়দ্রাবাদের ওসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপিত হয়। ভারত সরকার মহাকাশ গবেষণাকে আরও উৎসাহিত করে।[১৫] সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৫৭ সালে স্পুটনিক ১ উৎক্ষেপণ করে এবং বাকি বিশ্বের জন্য মহাকাশ উৎক্ষেপণের সম্ভাবনা খুলে দেয়।[১৫]
ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কমিটি ফর স্পেস রিসার্চ (ইনকোসপার) ১৯৬২ সালে প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু বিক্রম সারাভাইয়ের অনুরোধে প্রতিষ্ঠা করেন।[৮] প্রাথমিকভাবে মহাকাশ কর্মসূচির জন্য কোনো নিবেদিত মন্ত্রণালয় ছিল না এবং মহাকাশ প্রযুক্তি সম্পর্কিত ইনকোস্পারের সমস্ত কার্যক্রম ডিএই-এর মধ্যেই পরিচালিত হতে থাকে।[৬][৭] এইচ.জি.এস. মূর্তিকে থুম্বা নিরক্ষীয় রকেট উৎক্ষেপণ কেন্দ্রের প্রথম পরিচালক হিসেবে নিয়োগ করা হয়।[১৬] ভারতে বায়ুমণ্ডলীয় গবেষণার সূচনা উপলক্ষে থুম্বা নিরক্ষীয় রকেট উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে সাউন্ডিং রকেট উৎক্ষেপণ করা হয়।[১৭] রোহিণী নামে দেশীয় সিরিজের সাউন্ডিং রকেটসমূহ পরবর্তীকালে বিকশিত হয় এবং ১৯৬৭ সাল থেকে উৎক্ষেপণ শুরু করা হয়।[১৮]
১৯৭০-এর ও ১৯৮০-এর দশক
[সম্পাদনা]ইন্দিরা গান্ধীর প্রশাসনের অধীনে, ইসরো দ্বারা ইনকোস্পারকে সরিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ১৯৭২ সালে, ভারতে মহাকাশ প্রযুক্তি উন্নয়নের বিশেষভাবে পর্যালোচনা করার জন্য মহাকাশ কমিশন ও মহাকাশ বিভাগ (ডস) প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ইসরোকে ডস-এর অধীনে আনা হয়, ভারতে মহাকাশ গবেষণাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ প্রদান করা হয় ও ভারতীয় মহাকাশ কর্মসূচিকে তার বিদ্যমান রূপে রূপান্তরিত করা হয়।[৭][৯]
ভারত মহাকাশ সহযোগিতার জন্য সোভিয়েত ইন্টারকসমস কার্যক্রমে যোগ দেয়[১৯] এবং সোভিয়েত রকেটের মাধ্যমে প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ আর্যভট্টকে কক্ষপথে স্থাপন করে।[১০]
১৯৯০ এর দশক ও ২১ শতকের শুরুতে
[সম্পাদনা]সংস্থার লোগো
[সম্পাদনা]২০০২ পর্যন্ত ইসরোর অন্যান্য মহাকাশ সংস্থার মতো কোন দাপ্তরিক লোগো ছিল না। গৃহীত লোগোটি একটি কমলা রঙের এয়ারো শুটিং দিয়ে গঠিত, যা উপরের দিকে দুটি নীল রঙের কৃত্রিম উপগ্রহের প্যানেলের সাথে সংযুক্ত রয়েছে, যাতে ইসরোর নাম দুটি ভাষায় লেখা আছে। একটি বাম দিকে দেবনাগরীতে কমলা রঙে এবং অন্যটি প্রাকৃত হরফে নীল রঙে ইংরেজিতে।[২০][২১]
সংগঠনের কাঠামো এবং সুবিধা
[সম্পাদনা]
ইসরো ভারত সরকারের মহাকাশ বিভাগ (ডস) দ্বারা পরিচালিত হয়। ডস নিজেই মহাকাশ কমিশনের অধীনস্থ এবং নিম্নলিখিত সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানসমূহ পরিচালনা করে:[২২][২৩][২৪]
- ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা
- এন্ট্রিক্স কর্পোরেশন - ইসরোর বিপণন শাখা, বেঙ্গালুরু
- ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরি (পিআরএল), আহমেদাবাদ
- জাতীয় বায়ুমণ্ডলীয় গবেষণা গবেষণাগার (এনএআরএল), গদানকি, অন্ধ্রপ্রদেশ
- নিউস্পেস ইন্ডিয়া লিমিটেড - বাণিজ্যিক শাখা, বেঙ্গালুরু
- উত্তর-পূর্ব মহাকাশ প্রয়োগ কেন্দ্র[২৫] (এনই-এসএসি), উমিয়াম
- সেমি-কন্ডাক্টর ল্যাবরেটরি (এসসিএল), মোহালি
- ভারতীয় মহাকাশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান (আইআইএসটি), তিরুবনন্তপুরম - ভারতের মহাকাশ বিশ্ববিদ্যালয়
বহির্জাগতিক অন্বেষণ
[সম্পাদনা]চন্দ্র অন্বেষণ
[সম্পাদনা]চন্দ্রযান হল ভারতের চন্দ্র অন্বেষণকারী মহাকাশযানসমূহের একটি সিরিজ। প্রাথমিক মিশনে অরবিটার ও নিয়ন্ত্রিত প্রভাব প্রোব অন্তর্ভুক্ত ছিল। পরবর্তী মিশনে ল্যান্ডার, রোভার ও নমুনা সংগ্রহ অভিযান অন্তর্ভুক্ত হয়।[২৬][২৭]
- চন্দ্রযান-১

চন্দ্রযান-১ হল ভারতের প্রথম চন্দ্র অভিযান। রোবটিক চন্দ্র অন্বেষণ অভিযানে একটি চন্দ্র অরবিটার ও "মুন ইমপ্যাক্ট প্রোব" নামে একটি প্রভাবক অন্তর্ভুক্ত ছিল। ইসরো শ্রীহরিকোটার সতীশ ধবন মহাকাশ কেন্দ্র থেকে ২০০৮ সালের ২২শে অক্টোবর পিএসএলভি রকেটের পরিবর্তিত সংস্করণ ব্যবহার করে মহাকাশযানটি উৎক্ষেপণ করে। চন্দ্র যানকে ২০০৮ সালের ৮ই নভেম্বর চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করানো হয়। এটি দৃশ্যমান, ইনফ্রারেডের নিকটবর্তী এবং নমনীয় ও শক্তিশালী এক্স-রে ফ্রিকোয়েন্সিসমূহের জন্য উচ্চ-রেজোলিউশনের রিমোট সেন্সিং সরঞ্জাম বহন করে। এটি ৩১২ দিনের কার্যকালীন সময়কালে (২ বছর পরিকল্পিত), রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য ও ত্রি-মাত্রিক টোপোগ্রাফির একটি সম্পূর্ণ মানচিত্র তৈরি করার জন্য চন্দ্র পৃষ্ঠের জরিপ করে। অভিযানে মেরু অঞ্চল বিশেষ আগ্রহের ছিল, কারণ উক্ত স্থানে বরফ জমা থাকার সম্ভাবনা ছিল। মহাকাশযানটি ১১ টি যন্ত্র বহন করে, যার মধ্যে ৫ টি ভারতীয় ও ৬ টি বিদেশী প্রতিষ্ঠান ও মহাকাশ সংস্থা (নাসা, এসএ, বুলগেরিয়ান একাডেমি অব সায়েন্সেস, ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যান্য ইউরোপীয় ও উত্তর আমেরিকান প্রতিষ্ঠান/কোম্পানি সহ) কর্তৃক নির্মিত, যা বিনামূল্যে বহন করা হয়। চন্দ্রযান-১ চাঁদে জলের অস্তিত্বের আবিষ্কারকারী প্রথম চন্দ্র অভিযানে পরিণত হয়।[২৮] চন্দ্রযান-১ দলটি আমেরিকান ইনস্টিটিউট অব অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোনটিক্স স্পেস ২০০৯ পুরস্কার,[২৯] ২০০৮ সালে ইন্টারন্যাশনাল লুনার এক্সপ্লোরেশন ওয়ার্কিং গ্রুপের ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন অ্যাওয়ার্ড[৩০] এবং বিজ্ঞানে ও প্রকৌশল বিভাগে ন্যাশনাল স্পেস সোসাইটির ২০০৯ স্পেস পাইওনিয়ার অ্যাওয়ার্ড লাভ করে।[৩১][৩২]
- চন্দ্রযান-২

চন্দ্রযান-২ হল ইসরো কর্তৃক দ্বিতীয় চন্দ্র অভিযান, যার মধ্যে একটি অরবিটার, একটি ল্যান্ডার ও একটি রোভার অন্তর্ভুক্ত ছিল। চন্দ্রযান-২ ২০১৯ সালের ২২শে জুলাই একটি ভূস্থিত কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপন যান মার্ক ৩ (জিএসএলভি-মার্ক ৩) রকেটের মাধ্যমে উৎক্ষেপণ করা হয়, যার মধ্যে ভারতে নির্মিত একটি চন্দ্র অরবিটার, বিক্রম ল্যান্ডার ও চন্দ্র রোভার প্রজ্ঞান ছিল।[৩৩][৩৪] এটি চাঁদের খুব কম অনুসন্ধান হওয়া দক্ষিণ মেরু অঞ্চলটি অন্বেষণকারী প্রথম অভিযান।[৩৫] চন্দ্রযান-২ অভিযানের মূল উদ্দেশ্য হল চন্দ্রপৃষ্ঠে ইসরোর নরম অবতরণ এবং ভূপৃষ্ঠে রোবটিক রোভার চালানোর ক্ষমতা প্রদর্শন করা। অভিযানটির কিছু বৈজ্ঞানিক লক্ষ্য হল চাঁদের ভূগোল, খনিজবিদ্যা, মৌলিক প্রাচুর্য, চন্দ্র এক্সোস্ফিয়ার এবং হাইড্রক্সিল ও জল বরফের উপস্থিতি বিষয়ে গবেষণা করা।[৩৬]
প্রজ্ঞান রোভার বহনকারী বিক্রম ল্যান্ডারটি ২০১৯ সালের ৭ই সেপ্টেম্বর প্রায় সকাল ১:৫০ টায় (আইএসটি) চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে ৭০° দক্ষিণ অক্ষাংশের কাছাকাছি অবতরণের কথা ছিল। যাইহোক, ল্যান্ডার ২.১ কিলোমিটার (১.৩ মাইল) উচ্চতা থেকে পরিকল্পিত গতিপথ থেকে বিচ্যুত হয় এবং ভূমিস্পর্শের প্রত্যাশিত সময়সূচীর কয়েক সেকেন্ড পূর্বে দূরমাপন হারিয়ে যায়।[৩৭] একটি পর্যালোচনা বোর্ড সিদ্ধান্তে পৌঁছায়, যে একটি সফটওয়্যার ত্রুটির কারণে ক্র্যাশ-ল্যান্ডিং সংগঠিত হয়।[৩৮] চন্দ্র অরবিটারকে দক্ষতার সাথে একটি সর্বোত্তম চন্দ্র কক্ষপথে স্থাপন করা হয়, যা তার প্রত্যাশিত পরিষেবার সময় এক বছর থেকে সাত বছর পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়।[৩৯] অরবিটার ছাড়াই চাঁদে নরম অবতরণের জন্য আরেকটি চেষ্টা ২০২২ সালের শুরুর দিকে করা হবে।[৪০]
মঙ্গল অন্বেষণ
[সম্পাদনা]- মঙ্গল অরবিটার অভিযান (মম) বা (মঙ্গলযান-১)

অনানুষ্ঠানিকভাবে মঙ্গলযান নামে পরিচিত মার্স অরবিটার মিশন (এমওএম) ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ইসরো) কর্তৃক ২০১৩ ৫ই নভেম্বর পৃথিবীর কক্ষপথে উৎক্ষেপণ করা হয় এবং ২০১৪ সালের ২৪শে সেপ্টেম্বর মঙ্গল গ্রহের কক্ষপথে প্রবেশ করে।[৪১] ভারত প্রথম প্রচেষ্টায় মঙ্গলের কক্ষপথে প্রবেশকারী প্রথম দেশ হয়ে ওঠে। এটি রেকর্ড পরিমাণ স্বল্প খরচ ৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে সম্পন্ন হয়।[৪২]
মমকে ২০১৪ সালের ২৪শে সেপ্টেম্বর সকাল ৮ টা ২৩ মিনিটে মঙ্গলের কক্ষপথে স্থাপন করা হয়। মহাকাশযানের উৎক্ষেপণ ভর ১,৩৩৭ কেজি (২,৯৪৮ পাউন্ড) ছিল, যার মধ্যে লোড হিসাবে সম্মিলিত ভাবে ১৫ কেজি (৩৩ পাউন্ড) ওজনের পাঁচটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি ছিল।
ন্যাশনাল স্পেস সোসাইটি মার্স অরবিটার মিশন দলকে বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগে ২০১৫ স্পেস পাইওনিয়ার অ্যাওয়ার্ড প্রদান করে।[৪৩][৪৪]
পরিসংখ্যান
[সম্পাদনা]সর্বশেষ হালনাগাদ: ৪ মার্চ ২০২১[৪৫]
- ইসরো কর্তৃক উৎক্ষেপিত মোট বিদেশী উপগ্রহের সংখ্যা: ৩৪২ (৩৫ টি দেশ)[৪৫]
- মহাকাশযানের অভিযান: ১১৭ টি
- উৎক্ষেপণ অভিযান: ৭৭ টি
- শিক্ষার্থীদের দ্বারা নির্মিত উপগ্রহ: ১০ টি[৪৬]
- পুনঃপ্রবেশ অভিযান: ২ টি
মহাকাশ বিভাগের জন্য বাজেট
[সম্পাদনা]কারিগরি সমস্যার কারণে গ্রাফ এই মূহুর্তে অস্থায়ীভাবে অনুপলব্ধ রয়েছে। |
- মহাকাশ প্রযুক্তি (৬৭.৪১%)
- মহাকাশ প্রয়োগ (১৫.১১%)
- ইনস্যাট কার্যক্রম (৭.০৮%)
- মহাকাশ বিজ্ঞান (২.২৮%)
- অন্যান্য (৮.০৯%)
বিতর্ক
[সম্পাদনা]এস-ব্যান্ড স্পেকট্রাম কেলেঙ্কারি
[সম্পাদনা]ভারতে, ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক স্পেকট্রাম, বেতার যোগাযোগের জন্য একটি দুষ্প্রাপ্য সম্পদ হওয়ায় ভারত সরকার টেলিকম কোম্পানিসমূহের ব্যবহারের জন্য নিলাম করে। এর মূল্যের উদাহরণ হিসাবে, ২০১০ সালে ৩জি স্পেকট্রামের ২০ মেগাহার্টজ ₹৬৭৭ বিলিয়ন (ইউএস$৯.৫ বিলিয়ন) নিলাম করা হয়েছিল। স্পেকট্রামের এই অংশ স্থল যোগাযোগের জন্য বরাদ্দ করা হয় (সেল ফোন)। যাইহোক, ২০০৫ সালের জানুয়ারি মাসে এন্ট্রিক্স কর্পোরেশন (ইসরোর বাণিজ্যিক শাখা) এস-ব্যান্ড ট্রান্সপন্ডার (৭০ মেগাহার্টজ স্পেকট্রামের পরিমাণ) লিজের জন্য দেবাস মাল্টিমিডিয়া (প্রাক্তন ইসরো কর্মচারী এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভেঞ্চার পুঁজিপতিদের দ্বারা গঠিত একটি বেসরকারি সংস্থা) এর সাথে ১৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে, যা ১২ বছরের মধ্যে পরিশোধ করার কথা বলা হয়। এই কৃত্রিম উপগ্রহসমূহেতে ব্যবহৃত স্পেকট্রাম (২৫০০ মেগাহার্টজ ও তার বেশি) আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন বিশেষভাবে ভারতে কৃত্রিম উপগ্রহ ভিত্তিক যোগাযোগের জন্য বরাদ্দ করা হয়। কল্পিতভাবে, যদি স্থলজ প্রেরণে ব্যবহারের জন্য স্পেকট্রাম বরাদ্দ পরিবর্তন করা হয় এবং যদি এই ৭০ মেগাহার্টজ বর্ণালি ৩জি স্পেকট্রাম ২০১০ সালে নিলাম মূল্যে বিক্রি করা হয়, তাহলে এর মূল্য ₹২,০০০ বিলিয়ন (ইউএস$২৮ বিলিয়ন) হতে পারে। এটি একটি অনুমানমূলক পরিস্থিতি ছিল। যাইহোক, ভারতের কন্ট্রোলার ও অডিটর জেনারেল এই অনুমানমূলক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এবং মূল্যসমূহের মধ্যেকার পার্থক্যকে ভারত সরকারের ক্ষতি হিসাবে অনুমান করে।[৪৭][৪৮]
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]- ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (ইসরো) মিশনের তালিকা
- ভারতীয় প্রজাতন্ত্রে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
- ভারতের মহাকাশ শিল্প
- এশীয় জাতীয় মহাকাশ কর্মসূচিসমূহের তুলনা
- ভারতীয় মহাকাশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সংস্থা
- মহাকাশ সংস্থাসমূহের তালিকা
- ইসরো অভিযানসমূহের তালিকা
- নিউস্পেস ইন্ডিয়া লিমিটেড
- গভীর মহাসাগর অভিযান
- স্বামী বিবেকানন্দ তারামণ্ডল
- ভারতের টেলিযোগযোগ নেটওয়ার্ক
- সৌরজগত অনুসন্ধানের সময়রেখা
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]উদ্ধৃতি
[সম্পাদনা]- ↑ Annual Report 2022-2023: 3.2 Human Resources (পিডিএফ)। Department of Space (প্রতিবেদন)। পৃ. ১৩৯। ২৮ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত (পিডিএফ)।
- ↑ name="indiatoday-20240201">"Budget 2024: Isro awarded with a boost, space gets Rs 13,042 crore outlay"। India Today। ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;isro_aboutusনামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;Cryo14নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ Harvey, Smid এবং Pirard 2011, পৃ. 144–।
- 1 2 "Government of India Atomic Energy Commission | Department of Atomic Energy"। 29 August 2019 তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ অগাস্ট ২০২১।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|সংগ্রহের-তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - 1 2 3 Bhargava ও Chakrabarti 2003, পৃ. 39।
- 1 2 Sadeh 2013, পৃ. 303-।
- 1 2 "Department of Space and ISRO HQ - ISRO"। 28 March 2019 তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ অগাস্ট ২০২১।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|সংগ্রহের-তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - 1 2 "Aryabhata – ISRO"। www.isro.gov.in। ১৫ আগস্ট ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ আগস্ট ২০১৮।
- ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;THMoonনামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - 1 2 3 4 Daniel 1992, পৃ. 486।
- 1 2 Daniel 1992, পৃ. 487।
- 1 2 3 Daniel 1992, পৃ. 488।
- 1 2 3 Daniel 1992, পৃ. 489।
- ↑ https://www.dnaindia.com/mumbai/report-i-m-proud-that-i-recommended-him-for-isro-ev-chitnis-2109096
- ↑ "About ISRO - ISRO"। 28 March 2019 তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ অগাস্ট ২০২১।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|সংগ্রহের-তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ Chari, Sridhar K (২২ জুলাই ২০০৬)। "Sky is not the limit"। The Tribune। সংগ্রহের তারিখ ১৪ মার্চ ২০২১।
- ↑ Sheehan, Michael (২০০৭)। The international politics of space। London: Routledge। পৃ. ৫৯–৬১। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৪১৫-৩৯৯১৭-৩।
- ↑ "ISRO gets new identity"। Indian Space Research Organisation। 20 August 2018 তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ অগাস্ট ২০২১।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|সংগ্রহের-তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ "A 'vibrant' new logo for ISRO"। Times of India। 19 August 2002। 9 September 2018 তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ অগাস্ট ২০২১।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}:|সংগ্রহের-তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ "DoS structure"। Department of Space, Government of India। 27 September 2014 তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ অগাস্ট ২০২১।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|সংগ্রহের-তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ "Foundation stone of Space Situational Awareness Control Centre by Chairman, ISRO – ISRO"। www.isro.gov.in। 30 August 2019 তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ অগাস্ট ২০২১।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|সংগ্রহের-তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ "Inauguration of Human Space Flight Centre (HSFC) – ISRO"। www.isro.gov.in। 29 March 2019 তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ অগাস্ট ২০২১।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|সংগ্রহের-তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ "NEC – North Eastern Council"। Necouncil.nic.in। 25 February 2012 তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ অগাস্ট ২০২১।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|সংগ্রহের-তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;Episode 90নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ "A mix of young and middle-aged people will train for Gaganyaan"। The Week (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৪ আগস্ট ২০২১।
- ↑ "Mission definitely over"। The Hindu। Chennai, India। 30 August 2009। 30 August 2009 তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ অগাস্ট ২০২১।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}:|সংগ্রহের-তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ "domain-b.com : American astronautics society award for Chandrayaan-1 team"। ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুন ২০১৫।
- ↑ Choudhury, Shubhadeep (30 November 2008)। "Chandrayaan-1 wins global award"। Bangalore। Tribune News Service। 8 August 2014 তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ অগাস্ট ২০২১।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}:|সংগ্রহের-তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ "NSS awards for 2009"। National Space Society। 2 February 2015 তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ অগাস্ট ২০২১।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|সংগ্রহের-তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ Hoover, Rachel (17 June 2010)। "NASA's Lunar Impact Mission Honored by National Space Society"। National Aeronautics and Space Administration। 9 January 2013 তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ অগাস্ট ২০২১।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|সংগ্রহের-তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ "India launches second Moon mission"। British Broadcasting Corporation (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। ২২ জুলাই ২০১৯। ২২ আগস্ট ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুলাই ২০১৯।
- ↑ Singh, Surendra (5 August 2018)। "Chandrayaan-2 launch put off: India, Israel in lunar race for 4th position"। The Times of India। Times News Network। 19 August 2018 তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ অগাস্ট ২০২১।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}:|সংগ্রহের-তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ "India Successfully Launches Chandrayaan-2, Aims to Become First to Probe Lunar South Pole"। News18। 23 July 2019। 23 July 2019 তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ অগাস্ট ২০২১।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|সংগ্রহের-তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ "NASA – NSSDCA – Spacecraft – Details"। nssdc.gsfc.nasa.gov। 29 July 2019 তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ অগাস্ট ২০২১।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|সংগ্রহের-তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ "Chandrayaan2 Home – ISRO"। www.isro.gov.in। 29 July 2019 তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ অগাস্ট ২০২১।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|সংগ্রহের-তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ How did Chandrayaan 2 fail? ISRO finally has the answer. Mahesh Guptan, The Week. ১৬ নভেম্বর ২০১৯।
- ↑ "Chandrayaan2 Latest updates - ISRO"। www.isro.gov.in। ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ অগাস্ট ২০২১।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|সংগ্রহের-তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;ht-20210221নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ "India becomes first country to enter Mars' orbit on their first attempt"। Herald Sun। 24 September 2014। ৩০ মে ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ অগাস্ট ২০২১।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}:|সংগ্রহের-তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ "India's Maiden Mars Mission Makes History"। Bloomberg TV India। 25 September 2014 তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ অগাস্ট ২০২১।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}:|সংগ্রহের-তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ Brandt-Erichsen, David (12 January 2015)। "Indian Space Research Organisation Mars Orbiter Programme Team Wins National Space Society's Space Pioneer Award for Science and Engineering"। National Space Society। 2 February 2015 তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ অগাস্ট ২০২১।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|সংগ্রহের-তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ "ISRO Mars Orbiter Mission team Wins Space Pioneer Award"। Washington, United States: NDTV। 14 January 2015। 2 February 2015 তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ অগাস্ট ২০২১।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}:|সংগ্রহের-তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - 1 2 "List of International Customer Satellites Launched by PSLV" (পিডিএফ)। www.isro.gov.in। ৩০ আগস্ট ২০২১ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ অগাস্ট ২০২১।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|সংগ্রহের-তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ "List of University / Academic Institute Satellites - ISRO"। www.isro.gov.in। ১৯ আগস্ট ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ অগাস্ট ২০২১।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|সংগ্রহের-তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ Thakur, Pradeep (8 February 2011)। "Another spectrum scam hits govt, this time from ISRO"। The Times of India। New Delhi। 27 July 2019 তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ অগাস্ট ২০২১।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}:|সংগ্রহের-তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ "Behind the S-band spectrum scandal"। The Hindu। 28 September 2011। 19 February 2014 তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ অগাস্ট ২০২১।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}:|সংগ্রহের-তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য)
পাদটীকা
[সম্পাদনা]গ্রন্থপঞ্জি
[সম্পাদনা]- Bhaskaranarayana etc. (2007), "Applications of space communication", Current Science, 93 (12): 1737-1746, Bangalore: Indian Academy of Sciences.
- Burleson, D. (2005), "India", Space Programs Outside the United States: All Exploration and Research Efforts, Country by Country, pp. 136–146, United States of America: McFarland & Company, আইএসবিএন ০-৭৮৬৪-১৮৫২-৪.
- Daniel, R.R. (1992), "Space Science in India", Indian Journal of History of Science, 27 (4): 485-499, New Delhi: Indian National Science Academy.
- Gupta, S.C. etc. (2007), "Evolution of Indian launch vehicle technologies", Current Science, 93 (12): 1697-1714, Bangalore: Indian Academy of Sciences.
- "India in Space", Science & Technology edited by N.N. Ojha, pp. 110–143, New Delhi: Chronicle Books.
- Mistry, Dinshaw (2006), "Space Program", Encyclopedia of India (vol. 4) edited by Stanley Wolpert, pp. 93–95, Thomson Gale, আইএসবিএন ০-৬৮৪-৩১৩৫৩-৭.
- Narasimha, R. (2002), "Satish Dhawan", Current Science, 82 (2): 222-225, Bangalore: Indian Academy of Sciences.
- Sen, Nirupa (2003), "Indian success stories in use of Space tools for social development", Current Science, 84 (4): 489-490, Bangalore: Indian Academy of Sciences.
- "Space Research", Science and Technology in India edited by R.K. Suri and Kalapana Rajaram, pp. 411–448, New Delhi: Spectrum, আইএসবিএন ৮১-৭৯৩০-২৯৪-৬.
অতিরিক্ত পাঠ
[সম্পাদনা]- জিএসএলভি এমকে ৩
- [ISRO plans human colony on moon]; by Bibhu Ranjan Mishra in Bangalore; 18 December 2007; Rediff India Abroad (Rediff.com)
- The Economics of India's Space Programme, by U.Sankar, Oxford University Press, New Delhi, 2007, ISBN.13:978-0-19-568345-5