শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ ইনডোর স্টেডিয়াম
উডেন ফ্লোর জিমনেশিয়াম | |
![]() | |
| অবস্থান | বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম কমপ্লেক্স, পল্টন ময়দান, ঢাকা |
|---|---|
| স্থানাঙ্ক | ২৩°৪৩′৩২.৬৫৬৩″ উত্তর ৯০°২৪′৫২.৯০৭৪″ পূর্ব / ২৩.৭২৫৭৩৭৮৬১° উত্তর ৯০.৪১৪৬৯৬৫০০° পূর্ব |
| মালিক | জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ |
| পরিচালক | জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ |
| ধারণক্ষমতা | ১১০০ |
| উপরিভাগ | কাঠ |
| স্কোরবোর্ড | নেই |
| নির্মাণ | |
| কপর্দকহীন মাঠ | ২০০৯ |
| নির্মিত | ২০০৯ - ২০১০ |
| চালু | ৩০ অক্টোবর ২০১০ |
| পুনঃসংস্কার | ২০২২: অনুশীলন, আবাস, কাঠের মেঝে |
| নির্মাণ ব্যয় | ২০১০: ৳ ৮ কোটি ২০২২: ৳ ৩ কোটি |
| ভাড়াটে | |
| বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশন বাংলাদেশ টেবিল টেনিস ফেডারেশন | |
শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ ইনডোর স্টেডিয়াম ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের একটি ইনডোর ক্রীড়াস্থাপনা।[১] এটির অবস্থান ঢাকা মহানগরের পল্টন ময়দানে মোহাম্মদ আলী বক্সিং স্টেডিয়ামের পূর্ব পাশে।[২] ১১০০ দর্শক ধারনক্ষম স্থাপনাটি তাজউদ্দিন আহমদের মরনোত্তর সম্মানে নামকরণ করা হয়েছে। আনুষ্ঠানিক নামের বদলে ‘উডেন ফ্লোর জিমনেশিয়াম’ হিসেবেই এটি বেশি পরিচিত।[৩] জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ বাংলাদেশের বেশিরভাগ সরকারি ক্রীড়া অবকাঠামোর মত এটিরও রক্ষণাবেক্ষণ করে।[৪] বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশন ও বাংলাদেশ টেবিল টেনিস ফেডারেশন স্টেডিয়ামটির যৌথ ব্যবহারকারী।[৫][৬] মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামের পর এটি ঢাকা মহানগরের দ্বিতীয় ইনডোর স্টেডিয়াম। এখানে বাংলাদেশে আয়োজিত আন্তর্জাতিক ব্যাডমিন্টন ও টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতা সহ, জাতীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ের লিগ ও অনুশীলন চলে।
ইতিহাস
[সম্পাদনা]স্টেডিয়াম নির্মাণের আগে পল্টনের এস্থানে একটি কাঠের মেঝের জিমনেসিয়াম ছিল। ২০০৯ সালে পুরনো জিমনেসিয়াম ভেঙ্গে নির্মাণকাজ শুরু হয়,[৭][৮] ২০১০ সালের দক্ষিণ এশীয় গেমস আয়োজন উপলক্ষ্যে প্রায় সাড়ে আট কোটি টাকা ব্যয়ে এগারশত আসনের এই স্টেডিয়ামের নির্মাণ সম্পন্ন হয়।[১][৮][৯] একইবছর ৩০ অক্টোবর, নবনির্মিত শহীদ (ক্যাপ্টেন) এম. মনসুর আলী জাতীয় হ্যান্ডবল স্টেডিয়াম ও সংস্কার করা মোহাম্মদ আলী বক্সিং স্টেডিয়ামের সাথে এটির উদ্বোধন করা হয়।[৯] অবকাঠামোগত সমস্যা ও বাংলাদেশে কোভিড-১৯ এর বৈশ্বিক মহামারির কারণে বেশ কয়েকবার স্টেডিয়ামে খেলা আয়োজন স্থগিত থাকে।[৩][১০] ২০২১ সালের ডিসেম্বরে স্টেডিয়ামটির প্রথম দফা সংস্কার শুরু হয়। তিন কোটি টাকা ব্যয়ে কাঠের মেঝে, ব্যাডমিন্টন ও টেবিল টেনিস খেলোয়াড়দের জন্য অনুশীলন ও আবাস যুক্ত করা হয়।[১১] ২০২২ সালের জুনে সংস্কার সম্পন্ন,[১২] জুলাই হতে স্টেডিয়ামটি পুনরায় ক্রীড়ানুষ্ঠান ও অনুশীলনের জন্য সক্রিয় করা হয়।[১৩]
কাঠামো
[সম্পাদনা]স্টেডিয়ামটির মূল মেঝে কাঠের পাটাতন দিয়ে বিছানো, আট সাড়িতে সজ্জিত ১১০০ আসনের দর্শক ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ক্রীড়া স্থাপনা।[১][৯] খেলা আয়োজনের জন্য দরকারি আলোকসজ্জা সহ[১৩] মূল মেঝের পাশাপাশি খেলোয়াড়দের জন্য অনুশীলন ও অস্থায়ী আবাসন স্টেডিয়ামটির মূল অবকাঠামোর অন্তর্গত।[১১]
আয়োজন
[সম্পাদনা]স্টেডিয়ামটি বাংলাদেশে আয়োজিত আন্তর্জাতিক, জাতীয় ও মহানগর পর্যায়ের ব্যাডমিন্টন ও টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতা ও ঘরোয়া লিগের প্রধান ও নিয়মিত আয়োজনস্থল।[২] বাংলাদেশের জাতীয় ও টেবিল টেনিস ফেডারেশন এখানে ঢাকা মহানগর প্রিমিয়ার ডিভিশন, মহিলা বিভাগ ও প্রথম বিভাগ লিগ আয়োজন করে।[১৪] প্রতিযোগিতার ছাড়াও খেলোয়াড়রা যেকোনো আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ পূর্ব-অনুশীলন করেন।[১৫]
এটি জাতীয় ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা[১৬] ছাড়াও এটি ২০২১ সালে আয়োজিত বাংলাদেশ গেমসের ব্যাডমিন্টন ভেন্যু ছিল।[১১] ২০১৯ সালের ইউনেক্স-সানরাইজ বাংলাদেশ জুনিয়র ইন্টারন্যাশনাল ব্যাডমিন্টন সিরিজ[১৭] এবং ২০২৪ সালের ইউনেক্স-সানরাইজ বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল চ্যালেঞ্জ[১৮] এই ভেন্যুতে আয়োজিত দুটি উল্লেখযোগ্য আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 "শীতাতপ যন্ত্র বিকল, স্থবির হয়ে আছে একাধিক টুর্নামেন্ট"। ডিবিসি নিউজ। ৭ মে ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১২ মে ২০২৫।
- 1 2 "ইনডোর স্টেডিয়াম নয়, যেন গুদামঘর!"। দৈনিক ইনকিলাব। ১৩ অক্টোবর ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ১২ মে ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: ইউআরএল-অবস্থা (লিঙ্ক) - 1 2 "উডেন ফ্লোর জিমনেশিয়াম সংস্কারে অনিয়ম!"। দৈনিক জনকণ্ঠ। ২৩ জুলাই ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ১২ মে ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: ইউআরএল-অবস্থা (লিঙ্ক) - ↑ "ইনডোর স্টেডিয়ামে কাজ করছে না এসি, গরমে কাহিল সবাই!"। বাংলা ট্রিবিউন। ১৩ অক্টোবর ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ১২ মে ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: ইউআরএল-অবস্থা (লিঙ্ক) - ↑ সরকার, মাহবুব (২৪ মে ২০২৪)। "পল্টন ইনডোর যেন 'রাজার হাতি'"। দৈনিক কালবেলা। সংগ্রহের তারিখ ১২ মে ২০২৫।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ ইসলাম, রফিকুল (১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০)। "৭৫ ভাগ খেলার নিজস্ব ভেন্যুই নেই, কয়েকটির আবার 'রাজপ্রাসাদ'"। জাগো নিউজ। ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ মে ২০২৫।
- ↑ "ইনডোর সমস্যার সমাধান কোথায়"। দৈনিক কালবেলা। ৬ মে ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১২ মে ২০২৫।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- 1 2 "Stand fans to the rescue of table tennis tourney"। দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। ৭ মে ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১২ মে ২০২৫।
- 1 2 3 "খেলাধুলার উন্নয়নে বিত্তবানদের এগিয়ে আসতে বললেন প্রধামন্ত্রী"। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ১৬ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ আগস্ট ২০১৯।
- ↑ "ফুটবলে কাশফুল, সাঁতারে শেওলা"। প্রথম আলো। ৮ মে ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ১২ মে ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: ইউআরএল-অবস্থা (লিঙ্ক) - 1 2 3 "নতুন রূপে সাজবে তাজউদ্দীন আহমদ স্টেডিয়াম"। সময় টিভি। ২ ডিসেম্বর ২০২১। ৩ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ মে ২০২৫।
- ↑ "জুনেই হস্তান্তর তাজউদ্দীন আহমদ স্টেডিয়াম"। সময় টিভি। ২১ মে ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ১২ মে ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: ইউআরএল-অবস্থা (লিঙ্ক) - 1 2 "নিজস্ব ভেন্যুতে অনুশীলনে টেবিল টেনিস"। দৈনিক যুগান্তর। ২০ জুলাই ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ১২ মে ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: ইউআরএল-অবস্থা (লিঙ্ক) - ↑ "মহানগর টেবিল টেনিস লিগ শুরু"। জাগো নিউজ। ১৩ অক্টোবর ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ১২ মে ২০২৫।
- ↑ "কমনওয়েলথের আগে ঘরে ফিরল টিটি"। ঢাকা পোস্ট। ১৯ জুলাই ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ১২ মে ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: ইউআরএল-অবস্থা (লিঙ্ক) - ↑ "নতুন কোর্টে সচল হচ্ছে ব্যাডমিন্টন"। ঢাকা পোস্ট। ২৩ জুলাই ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ১২ মে ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: ইউআরএল-অবস্থা (লিঙ্ক) - ↑ "বাংলাদেশে হচ্ছে জুনিয়র আন্তর্জাতিক ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা"। বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম। ১৭ ডিসেম্বর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১২ মে ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: ইউআরএল-অবস্থা (লিঙ্ক) - ↑ "ঢাকায় ১৯ দেশের ব্যাডমিন্টন উৎসব"। বাংলা ট্রিবিউন। ১১ ডিসেম্বর ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১২ মে ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: ইউআরএল-অবস্থা (লিঙ্ক)
